• ২৯ ভাদ্র ১৪৩৩, শুক্রবার ১৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬ ই-পোর্টাল

Janatar Katha

Banner Add
  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও
  • এছাড়াও
    • উৎসব
    • ব্যবসা
    • স্বাস্থ্য
    • শিক্ষা
    • প্রযুক্তি
    • হেঁসেল

PV Sindhu

খেলার দুনিয়া

‌৮ বছর পর এশিয়ান ব্যাডমিন্টন চ্যাম্পিয়নশিপে নজির সিন্ধুর

এশিয়ান ব্যাডমিন্টন চ্যাম্পিয়নশিপে আবার সিন্ধু গর্জন। ৮ বছর পর আবার পদক নিশ্চিত করলেন ভারতের মহিলাদের ১ নম্বর তারকা পি ভি সিন্ধু। ফিলিপিন্সের ম্যানিলায় অনুষ্ঠিত প্রতিযোগিতায় কোয়ার্টার ফাইনালে চীনের হে বিং জিয়াওকে হারিয়ে সেমিফাইনালে উঠেছেন তিনি। সেমিফাইনালে ওঠার পথটা অবশ্য ততটা মসৃন ছিল না সিন্ধুর সামনে। ২৫ বছর বয়সী চীনের হে বিং জিয়াও চ্যালেঞ্জের মুখে ফেলে দিয়েছিলেন সিন্ধুকে। শেষ পর্যন্ত ১ ঘন্টা ১৬ মিনিটের লড়াইয়ে ২১৯, ১৩২১, ২১১৯ ব্যবধানে জেতেন সিন্ধু। গত ১ বছরের মধ্যে এই নিয়ে টানা তিনবার হে বিং জিয়াওয়ের বিরুদ্ধে জিতলেন তিনি। গতবছর টোকিও অলিম্পিকে চীনের এই শাটলারকে হারিয়েই ব্রোঞ্জ জিতেছিলেন সিন্ধু। এদিনও হে বিং জিয়াওকে হারিয়ে এশিয়ান চ্যাম্পিয়নশিপে ব্রোঞ্জ নিশ্চিত করলেন। ২০১৪ সালে শেষবার দক্ষিণ কোরিয়ার গিমচেওনে অনুষ্ঠিত এশিয়ান ব্যাডমিন্টন চ্যাম্পিয়নশিপে বোঞ্জ জিতেছিলেন সিন্ধু। ৮ বছর পর আবার পদক নিশ্চিত করলেন এই ব্যাডমিন্টন তারকা। ২০১৭ সালে ইউহানে অনুষ্ঠিত প্রতিযোগিতায় বিং জিয়াওয়ের কাছেই পরাজিত হয়েছিলেন সিন্ধু। সেই পরাজয়ের মধুর প্রতিশোধও নিলেন। দুজনের মুখোমুখি লড়াইয়ে অবশ্য এখনও ৯৮ ব্যবধানে এগিয়ে বিং জিয়াও।এদিন কোয়ার্টার ফাইনালে দারুণ শুরু করেছিলেন সিন্ধু। শুরুর দিকে বিং জিয়াওকে একেবারে দাঁড়াতেই দেননি। একসময় ১১২ ব্যবধানে এগিয়ে যান। মাত্র ১৩ মিনিটেই প্রথম গেম ২১৯ ব্যবধানে জিতে নেন সিন্ধু। দ্বিতীয় গেমে দারুণভাবে ঘুরে দাঁড়ান বিং জিয়াও। ২১১৩ ব্যবধানে জিতে ম্যাচে সমতা ফেরান। তৃতীয় গেম জমে ওঠে। শুরুর দিকে সিন্ধুর দাপট থাকলেও পরে খেলায় ফেরেন বিং জিয়াও। এক সময় ৬১১ ব্যবধানে পিছিয়ে ছিলেন। সেখান থেকে সমতা ফেরান। হাড্ডাহাড্ডি লড়াই করেও শেষরক্ষা করতে পারেননি। বিং জিয়াওয়ের একের পর এক আনফোর্সড এররের সুবিধা কাজে লাগিয়ে শেষপর্যন্ত ২১১৯ ব্যবধানে তৃতীয় গেম জিতে সেমিফাইনালে পৌঁছে যান সিন্ধু।

এপ্রিল ২৯, ২০২২
খেলার দুনিয়া

‌সুইৎজারল্যান্ডের বাসেলে সিন্ধু গর্জন, কী এমন করলেন এই মহিলা ব্যাডমিন্টন তারকা?

রবিবার সুইৎজারল্যান্ডের বাসেলে ঘটল সিন্ধু গর্জন। থাইল্যান্ডের বুসানন ওংবামরুঙ্গফনকে উড়িয়ে সুইস ওপেনে মহিলাদের সিঙ্গলসে চ্যাম্পিয়ন হলেন ভারতীয় ব্যাডমিন্টন তারকা পিভি সিন্ধু। চলতি বছরে এটা দ্বিতীয় খেতাব সিন্ধুর। জার্মান ওপেন ও অল ইংল্যান্ড ব্যাডমিন্টন প্রতিযোগিতার ব্যর্থতা কাটিয়ে ঘুরে দাঁড়ালেন দেশের এই এক নম্বর মহিলা শাটলার। সুইস ওপেনের ফাইনালে জিতলেন ২১১৬, ২১৮ ব্যবধানে। এবছরের শুরুতেই সৈয়দ মোদী আন্তর্জাতিক ব্যাডমিন্টন প্রতিযোগিতায় মহিলাদের সিঙ্গলসে চ্যাম্পিয়ন হন সিন্ধু। এবার সুইস ওপেনে চ্যাম্পিয়ন। এই নিয়ে সুইস ওপেনে টানা দ্বিতীয়বার ফাইনালে উঠেছিলেন সিন্ধু। এদিন ফাইনালে প্রতিযোগিতার চতুর্থ বাছাই বুসাননকে হারাতে সময় নেন মাত্র ৪৯ মিনিট। বুসাননের বিরুদ্ধে সিন্ধুর পরিসংখ্যান যথেষ্ট ভাল। সুইস ওপেনে মুখোমুখি হওয়ার আগে ১৬ বার সাক্ষাৎকারে ১৫ বার জিতেছিলেন সিন্ধু। ২০১৯ সালে হংকং ওপেনেই একমাত্র বুসাননের কাছে পরাস্ত হয়েছিলেন সিন্ধু। সুতরাং ফেবারিট হিসেবেই এদিন ফাইনাল খেলতে নেমেছিলেন। এদিনের ফাইনালে প্রথম গেমে সিন্ধু ৩০ ব্যবধানে এগিয়ে যান। এরপরই ঘুরে দাঁড়ান বুসানন। এসময় প্রথম গেমে ফল দাঁড়ায় ৭৭। আবার এগিয়ে যান সিন্ধু । বুসানন কঠিন চ্যালেঞ্জের সামনে ফেলে দেন সিন্ধুকে। তুল্যমূল্য লড়াই করে এক সময় ১৩১৩ করে ফেলেন। কিন্তু এরপর একের পর এক ভুল করতে থাকেন বুসানন। তাঁর সেই ভুল কাজে লাগিয়ে এগিয়ে যান সিন্ধু। সিন্ধু ১৬১৩ লিড নিয়ে নেন। শেষ পর্যন্ত ২১১৬ ব্যবধানে প্রথম গেম জিতে নেন। প্রথম গেমে তবু একটু লড়াই দিয়েছিলেন বুসানন। দ্বিতীয় গেমে দাঁড়াতেই পারেননি। দ্বিতীয় গেমের শুরুতেই ৫০ ব্যবধানে এগিয়ে যান সিন্ধু। এই সময় তিনি অনেক বেশি আক্রমণাত্মক মেজাজে খেলছিলেন। বিরতিতেই তিনি এগিয়ে যান ৯ পয়েন্টের ব্যবধানে। একসময় ১৮৪ ব্যবধানে এগিয়ে খেতাবের কাছাকাছি পৌঁছে যান। শেষ অবধি দ্বিতীয় গেম ২১৮ ব্যবধানে জিতে চ্যাম্পিয়ন হন সিন্ধু। মহিলাদের সিঙ্গলসে সিন্ধু চ্যাম্পিয়ন হলেও পুরুষদের সিঙ্গলসে ব্যর্থ এইচএস প্রণয়। ইন্দোনেশিয়ার জোনাথন ক্রিস্টির কাছে হেরে চ্যাম্পিয়নের স্বপ্ন অপূর্ণ থেকে যায় এই ভারতীয় ব্যাডমিন্টন তারকার। ক্রিস্টি ২১১২, ২১১৮ ব্যবধানে প্রণয়কে হারিয়ে খেতাব জেতেন।

মার্চ ২৭, ২০২২
খেলার দুনিয়া

PV Sindhu : ‌কাঁটা সেই তাই জু, ব্যাডমিন্টনের বিশ্বচ্যাম্পিয়নশিপ থেকে বিদায় সিন্ধুর

তাই জু যেন কাঁটা কিছুতেই সরাতে পারছেন না ভারতের ব্যাডমিন্টন তারকা পি ভি সিন্ধু। টোকিও অলিম্পিকের সেমিফাইনালে এই তাই জুর কাছেই হেরে রুপো জয়ের স্বপ্ন শেষ হয়ে গিয়েছিল ভারতের ১ নম্বর মহিলা ব্যাডমিন্টন তারকার। এবার বিশ্বচ্যাম্পিয়নশিপের কোয়ার্টার ফাইনাল থেকেও ছিটকে যেতে হল তাই জুর কাছে হেরে। খেতাব ধরে রাখার স্বপ্ন অধরাই থেকে গেল সিন্ধুর। তাইওয়ানের শাটলার তাই জু ২১১৭, ২১১৩ ব্যবধানে সিন্ধুকে হারিয়ে পৌঁছে গেলেন বিশ্বচ্যাম্পিয়নশিপের সেমিফাইনালে।ম্যাচের শুরু থেকেই তাই জুর আধিপত্য ছিল। প্রথমে ৫২ ব্যবধানে এগিয়ে যান। একসময় তাই জুর পক্ষে ফল ছিল ১১৬। পরে সিন্ধু ব্যবধান কিছুটা কমিয়ে নিয়ে আসেন। ব্যবধান কমে দাঁড়ায় ৩ পয়েন্টের। শেষ পর্যন্ত ২১১৭ পয়েন্টে দ্বিতীয় গেম জিতে নেন তাই জু। দ্বিতীয় গেমে একসময় দারুণ হাড্ডাহাড্ডি লড়াই চলছিল। ফল ছিল ১২১২। সেখান থেকে আস্তে আস্তে ব্যবধান বাড়াতে থাকেন তাই জু। শেষ পর্যন্ত ২১১৩ ব্যবধানে দ্বিতীয় গেম জিতে সেমিফাইনালে পৌঁছে যান তাইওয়ানের এই শাটলার। এই নিয়ে টানা ৫ বার তাই জুর কাছে হারলেন সিন্ধু। দুজনে মোট মুখোমুখি হয়েছেন ২০ বার। এর মধ্যে তাই জু জিতেছেন ১৫ বার। পি ভি সিন্ধু জিতেছেন ৫ বার।সিন্ধু বিদায় নিলেও পদক জয় নিশ্চিত করলেন কিদাম্বি শ্রীকান্ত ও লক্ষ্য সেন। পুরুষদের সিঙ্গলসের কোয়ার্টার ফাইনালে হল্যান্ডের মার্ক ক্যালজাউকে ২১৮, ২১৭ ব্যবধানে উড়িয়ে পৌঁছে গেলেন সেমিফাইনালে। এই প্রথম ক্যালজাউয়ের বিরুদ্ধে কোর্টে নেমেছিলেন শ্রীকান্ত। অচেনা প্রতিপক্ষ হলেও দারুণ দাপট দেখান এই ভারতীয় শাটলার। প্রথম গেমে একসময় ১১৫ ব্যবধানে এগিয়ে যান। ব্যবধান ধরে রেখে ২১৮ ব্যবধানে শেষ পর্যন্ত প্রথম গেম জিতে নেন। দ্বিতীয় গেমেও একইরকম দাপট ছিল শ্রীকান্তের। ১১৩ ব্যবধানে এগিয়ে থেকে ২১৭ পয়েন্টে জিতে সেমিফাইনালে পৌঁছে যান। অন্যদিকে, হাড্ডাহাড্ডি লড়াই করে চিনের জুন পেং ঝাউকে ২১১৫, ১৫২১, ২২২০ ব্যবধানে হারিয়ে সেমিফাইনালে পৌঁছেছেন লক্ষ্য সেন।

ডিসেম্বর ১৭, ২০২১
খেলার দুনিয়া

PV Sindhu : লেহেঙ্গা–চোলিতে ধামাল নাচে নেটিজেনদের হৃদয় কাঁপালেন এই মহিলা ব্যাডমিন্টন তারকা

কিছুদিন আগেই সোশ্যাল মিডিয়ায় একটা ছবি দারুণ ভাইরাল হয়েছিল। হলুদ সুইমিং স্যুটে সমুদ্র সৈকতে দেখা গিয়েছিল পিভি সিন্ধুকে। সুইমিং স্যুটে ভারতীয় এই মহিলা ব্যাডমিন্টন তারকাকে অপূর্ব লাগছিল। এবার নতুন ভুমিকায় সকলকে মুগ্ধ করলেন পিভি সিন্ধু। লেহেঙ্গাচোলিতে ধামাল নাচে করলেন দেওয়ালির সেলিব্রেশন। তাঁর সেই ভিডিও দারুণ ভাইরাল হয়েছে। হৃদয় জয় করে নিয়েছে নেটিজেনদের।ওই ভিডিওর রেশ কাটতে না কাটতেই এবার দিওয়ালি সেলিব্রেশনে মেতে উঠলেন পিভি সিন্ধু। দিওয়ালি সেলিব্রেশনে অন্য চেহারায় ধরা দিয়েছেন। এইরকম ভুমিকায় আগে কখনও দেখা যায়নি ভারতীয় এই মহিলা ব্যাডমিন্টন তারকাকে। দিওয়ালির সেলিব্রেশনে পিভি সিন্ধু এদিন পরেছিলেন ঐতিহ্যবাহী লেহেঙ্গাচোলি৷ গহনাতে সেজে উঠেছিলেন। শুধু সাজগোজ করেই থেমে থাকেননি সিন্ধু, Love Nwantiti গানে রীতিমতো নেচে দেখান। গানটি এই মুহূর্তে দারুণ জনপ্রিয়। সেই নাচের ছবি নিজের ইনস্টাগ্রামে পোস্ট করেছেন পিভি সিন্ধু। ইনস্টাগ্রামে পোস্ট করা তাঁর সেই নাচের ভিডিও শেয়ার করেছেন দিওয়ালি সিরিজে৷ পিভি সিন্ধুর অন্যান্য জনপ্রিয় ছবির পাশাপাশি এই নাচের ভিডিও ১২ লক্ষ ভিউ হয়ে গেছে।Love Nwantiti গানটি সারা পৃথিবী জুড়েই দারুণ জনপ্রিয়৷ পিভি সিন্ধুও সেই চ্যালেঞ্জেই যোগদান করলেন৷ তিনি ভারতের কয়েকজন সেলিব্রিটিদের মধ্যে একজন যাঁরা Love Nwantiti উন্মাদনায় যোগ দিয়েছেন। নাইজেরিয়ান গায়ক সিকেয়ের গানটি বর্তমানে ইউ টিউবের গ্লোবাল চার্টে এক নম্বর গান। এটি ইউটিউবে ১.১ কোটিরও বেশি ভিউ রয়েছে এবং লক্ষ লক্ষ ইনস্টাগ্রাম রিল এবং টিকটক ভিডিওগুলিতে ব্যবহৃত হয়েছে।এবছর টোকিও অলিম্পিক থেকে ব্রোঞ্জ জিতেছেন পিভি সিন্ধু। আগের অলিম্পিকেও দেশকে ব্রোঞ্জ এনে দিয়েছিলেন। তাঁর এই কৃতিত্বের জন্য কেন্দ্রীয় সরকার এবছর পিভি সিন্ধুকে পদ্মভূষণ সম্মানে সম্মানিত করেছে। এটি দেশের তৃতীয় সর্বোচ্চ নাগরিক সম্মান। এর আগে ২০১৫ সালে পদ্মশ্রী সম্মান পেয়েছিলেন দেশের সেরা এই মহিলা ব্যাডমিন্টন তারকা। ২০১৬ সালে রাজীব গান্ধী খেলরত্ন পুরস্কার পান। ভারতের রাষ্ট্রপতি রামনাথ কোবিন্দ সোমবারই রাষ্ট্রপতি ভবনে পিভি সিন্ধুর হাতে পদ্মভূষণ পুরস্কার তুলে দেন।পুরস্কার নেওয়ার পর পিভি সিন্ধু বলেন, এই মুহূর্তটা আমার কাছে খুবই গর্বের। আমি সরকারের কাছে কৃতজ্ঞ৷ এই ধরণের সম্মান দারুণ উৎসাহ জোগায়৷ সামনে আরও ভাল পারফরমেন্স করাতে অনুপ্রেরণা জোগাবে। সিন্ধু আরও বলেন, আমি নিশ্চিতভাবে আরও বেশি পরিশ্রম করব। সামনে বেশ কয়েকটা প্রতিযোগিতা রয়েছে। আশা করছি সেগুলোতে ভাল পারপরমেন্স করব।

নভেম্বর ০৮, ২০২১
খেলার দুনিয়া

‌‌PV Sindhu : প্রথম ভারতীয় মহিলা হিসেবে দুটি অলিম্পিক পদক, ইতিহাসে পিভি সিন্ধু

টোকিও অলিম্পিকে দেশকে পদক এনে দিলেন পিভি সিন্ধু। চীনের হে বিং জিয়াংকে ২১১৩, ২১১৫ ব্যবধানে হারিয়ে ব্রোঞ্জ জিতলেন। অলিম্পিকে প্রথম ভারতীয় মহিলা খেলোয়াড় হিসেবে ব্যক্তিগত বিভাগে দুদুটি পদক জিতে ইতিহাস গড়লেন সিন্ধু। সেমিফাইনালে বিশ্বের একনম্বর তারকা তাই জুর কাছে হেরে গিয়েছিলেন। সেমিফাইনালে হারলেও পদক জয়ের সম্ভাবনা একেবারে শেষ হয়ে যায়নি পিভি সিন্ধুর। ব্রোঞ্জের সম্ভাবনা ছিল। ব্রোঞ্জের লড়াইয়ের এই ভারতীয় ব্যাডমিন্টন তারকার প্রতিপক্ষ ছিল হে বিং জিয়াও। অলিম্পিকে ব্রোঞ্জের লড়াইয়ে নামার আগে পরিসংখ্যানের দিক দিয়ে হে বিং জিয়াও এগিয়ে ছিলেন। এর আগে এই দুই শাটলার মুখোমুখি হয়েছিলেন ১৫ বার। বিং জিয়াও জিতেছিলেন ৯ বার, আর সিন্ধু জিতেছিলেন ৬ বার। অলিম্পিকে জিতে পরিসংখ্যান কিছুটা উন্নত করলেন সিন্ধু।আরও পড়ুনঃ স্বপ্ন শেষ, অলিম্পিক থেকে বিদায় বক্সার সতীশ কুমারেরপ্রথম গেমের শুরুতেই হে বিং জিয়াওয়ের বিরুদ্ধে ৪০ ব্যবধানে এগিয়ে গিয়েছিলেন পিভি সিন্ধু। সেখান থেকে সমতা ফেরান চীনের এই তারকা। একসময় ম্যাচের ফল ছিল ৮৮। এরপর ম্যাচের ওপর আস্তে আস্তে নিয়ন্ত্রণ নিয়ে নেন পিভি সিন্ধু। পরপর ৬ পয়েন্ট তুলে নিয়ে ১৪৮ ব্যবধানে এগিয়ে যান। শেষ পর্যন্ত ২১১৩ পয়েন্টে প্রথম গেম জিতে নেন সিন্ধু। সেমিফাইনালে তাই জুর বিরুদ্ধে যে যে ভুল করেছিলেন এই ভারতীয় শাটলার, এদিন প্রথম গেমে সেই ভুল গুলি শুধরে নেন। স্ম্যাশ, নেট প্লে, ড্রপ শট নেওয়ার ক্ষেত্রে দারুণ মুন্সিয়ানার পরিচয় দেন। দ্বিতীয় গেমেও সিন্ধু ধারবাহিকতা দরে রেখেছিলেন। দারুণ শুরু করে ৪১ ব্যবধানে এগিয়ে যান। কিন্তু দারুণভাবে ম্যাচে ফিরে আসেন চীনের হে বিং জিয়াও। ১১৮ পয়েন্টে পিছিয়ে থাকা অবস্থায় স্কোর ১১১১ করেন। সেখান থেকে আবার ম্যাচে এগিয়ে যেতে থাকেন সিন্ধু। শেষ পর্যন্ত ২১১৫ পয়েন্টে দ্বিতীয় সেট জিতে নেন এইই ভারতীয় ব্যাডমিন্টন তারকা। আরও পড়ুনঃ স্ ৪১ বছরের শাপমোচনের দিকে আরও একধাপ এগিয়ে গেলেন মনপ্রীতরাপ্রথম ভারতীয় মহিলা খেলোয়াড় হিসেবে অলিম্পিকে ব্যক্তিগত বিভাগে দুদুটি পদক জয়ের কৃতিত্ব দেখালেন পিভি সিন্ধু। আর ভারতীয় হিসেবে দ্বিতীয়। তাঁর আগে এই কৃতিত্ব দেখিয়েছিলেন কুস্তিগীর সুশীল কুমার। তিনি ২০০৮ বেজিং অলিম্পিকে ব্রোঞ্জ জিতেছিলেন। ২০১২ লন্ডন অলিম্পিকে একধাপ ভাল করে রুপো জিতেছিলেন। অন্যদিকে পিভি সিন্দু ২০১৬ রিও অলিম্পিকে ব্রোঞ্জ জিতেছিলেন।

আগস্ট ০১, ২০২১
খেলার দুনিয়া

Olympic: সেমিফাইনালেও পদক জয়ের সম্ভাবনা রয়েছে পিভি সিন্ধুর

টোকিও অলিম্পিকের সেমিফাইনালে বিশ্বের এক নম্বর তারকা চাইনিজ তাইপের তাই জু-র কাছে হেরে গেলেন ভারতের পিভি সিন্ধু। সেমিফাইনালে হারলেও পদক জয়ের সম্ভাবনা একেবারে শেষ হয়ে যাচ্ছে না সিন্ধুর। রবিবার ব্রোঞ্জের লড়াইয়ে চিনের হি বিংজিয়াওর মুখোমুখি হবেন ভারতের প্রথম বিশ্ব চ্যাম্পিয়ন শাটলার।সেমিফাইনালে চাইনিজ তাইপের তাই জু-র বিরুদ্ধে এগিয়ে থেকেও প্রথম গেম হারেন সিন্ধু। দ্বিতীয় গেমে সিন্ধুকে দাঁড়াতে দেননি তাই জু। স্ট্রেট গেমে ম্যাচ হারেন হায়দরাবাদি শাটলার। সিন্ধুর বিরুদ্ধে চাইনিজ তাইপের ২৭ বছর বয়সী তাই জু জিতেছেন ২১-১৮, ২১-১২ পয়েন্টের ব্যবধানে। এর ফলে টোকিও অলিম্পিকে সিন্ধুর রুপো বা সোনা জয়ের স্বপ্নে ইতি ঘটেছে। যদিও ব্রোঞ্জ জয়ের সম্ভবনা রয়েছে।ম্যাচের শুরুটা দুর্দান্তভাবেই করেন পিভি সিন্ধু। প্রথম গেমে চাইনিজ তাইপেই প্রতিপক্ষের বিরুদ্ধে পয়েন্টের ব্যবধান বাড়িয়েও নিয়েছিলেন ভারতীয় শাটলার। একটা সময় ৯-৬ এবং ১১-৮ ব্যবধানে এগিয়ে ছিলেন পিভি। অভিজ্ঞতায় ভর করে সেখান থেকেই ম্যাচে ফিরতে শুরু করেন তাই জু। ১৪-১৪ হয়ে যাওয়ার পর প্রথম গেমে হাড্ডাহাড্ডি লড়াই হয়। কখনও ভারতীয় শাটলার এগোচ্ছিলেন তো কখনও টেক্কা দিচ্ছিলেন বিশ্বের এক নম্বর শাটলার। ১৮-১৮ হওয়ার পর গেমে সিন্ধুকে আর ফিরতে দেননি তাই জু-ইং। ২১-১৮ ব্যবধানে তিনি প্রথম গেম জেতেন।দ্বিতীয় গেমে আরও ভয়ঙ্কর হয়ে ওঠেন তাই জু। কোর্টের নানা প্রান্তে ছোট ছোট চকিত শট খেলে পিভি সিন্ধুকে নাজেহাল করতে থাকেন চাইনিজ তাইপেইয়ের শাটলার। মাঝে বেশ কয়েকবার রণনীতি পরিবর্তন করেন ভারতীয় তারকা। তাই জু-ইংয়ের ছন্দ কাটতে আক্রমণাত্মক ঢঙে খেলা শুরু করেন পিভি। কিন্তু সব কিছুরই জবাব ছিল চাইনিজ তাইপেই শাটলারের কাছে। দ্বিতীয় গেমে একটা সময় ৪-৫ পয়েন্টের ব্যবধানে পিছিয়ে ছিলেন সিন্ধু। এরপর ৪-৭, ৫-৭ থেকে ৭-১১ পয়েন্টে পিছিয়ে পড়েন ভারতের প্রথম বিশ্ব চ্যাম্পিয়ন। একটা সময় সিন্ধুর থেকে ১৬-৯ পয়েন্টে এগিয়ে যান চাইনিজ তাইপেইয়ের শাটলার। সেখান থেকে কোনও মতে আরও তিন পয়েন্ট অর্জন করতে সক্ষম হন পিভি। সবশেষে ২১-১২ পয়েন্টের ব্যবধানে সেমিফাইনাল জিতে যান বিশ্বের এক নম্বর শাটলার। সেমিফাইনালে জাজমেন্টে অনেক ভুল করেন পিভি সিন্ধু। আবার নিজের দুর্দান্ত অনুমান ক্ষমতা প্রয়োগ করে সিন্ধু মারা শটের আনফোর্সড এরর থেকেও পয়েন্ট অর্জন করেন তাই জু। সেমিফাইনাল হেরে গেলেও পিভি টোকিও অলিম্পিকে পিভি সিন্ধুর লড়াইয় মুগ্ধ করেছে দেশের ক্রীড়া জগতকে।

জুলাই ৩১, ২০২১
খেলার দুনিয়া

Sindhu: টোকিও অলিম্পিকে সিন্ধুগর্জন, পৌঁছে গেলেন পদকের আরও কাছে

টোকিও অলিম্পিকে ভারতীয় নারী শক্তির দাপট। ভারোত্তোলনে পদক জিতে দেশে ফিরে এসেছেন মীরাবাই চানু। বক্সার লাভলিনা বরগোঁহাইয়ের বক্সিংয়ে পদক নিশ্চিত করেছেন। এবার পদকের দিকে পিভি সিন্ধুও অনেকটাই এগিয়ে গেলেন।২০১৬ সালে রিও অলিম্পিকের রুপোজয়ী ভারতীয় শাটলার সিন্ধু এদিন কোয়ার্টার ফাইনালে হারালেন চতুর্থ বাছাই জাপানের আকানে ইয়ামাগুচিকে। সিন্ধু জেতেন ২১-১৩, ২২-২০ ব্যবধানে। এদিনের আগে ১৮টি সাক্ষাতেই ইয়ামাগুচি পরাস্ত হয়েছিলেন সিন্ধু কাছে। এদিনও তার ব্যতিক্রম হল না।বিশ্বের ষষ্ঠ বাছাই সিন্ধু প্রথম গেমে আগাগোড়া দাপট বজায় রাখেন। ইয়ামাগুচিও যথেষ্ট ভালোই টক্কর দিচ্ছিলেন ভারতীয় ব্যাডমিন্টন তারকার সঙ্গে। কিন্তু সিন্ধুর সঙ্গে পেরে উঠছিলেন না। ২৩ মিনিটে প্রথম গেম জিতে নেন ২১-১৩ ব্যবধানে। দ্বিতীয় গেমের প্রথম দিকেও সমানে সমানে টক্কর দিতে থাকেন ইয়ামাগুচি। কিন্তু অভিজ্ঞতাকে কাজে লাগিয়ে সিন্ধু দাপট দেখাতে থাকেন। দ্বিতীয় গেমের মাঝামাঝি অবস্থাতেও সিন্ধু এগিয়ে ছিলেন ১১-৬ ব্যবধানে। এরপর দারুণভাবে ম্যাচে ফিরে এসে সমতা ফেরান ইয়ামাগুচি। ১৫-১৫ করে ফেলেন ইয়ামাগুচি, পরে এগিয়েও যান। যদিও স্নায়ুযুদ্ধ জিতে শেষ হাসি হাসেন সিন্ধু। খেলার ফল ২১-১৩, ২২-২০। ৩১ জুলাই তাঁর সেমিফাইনাল ম্যাচ। তবে শীর্ষ বাছাইয়ের মুখে পড়তে হচ্ছে না সেমিফাইনালে।

জুলাই ৩০, ২০২১
খেলার দুনিয়া

PV Sindhu : কোয়ার্টার ফাইনালে পৌঁছে পদকের আরও কাছাকাছি পিভি সিন্ধু

গ্রুপ লিগে দুটি ম্যাচেই জয়। অলিম্পিকে মহিলাদের ব্যাডমিন্টনের সিঙ্গলসে কোয়ার্টার ফাইনালে পৌঁছে গেলেন পিভি সিন্ধু। পদক জয়ের পথে এগোলেন আরও একধাপ। পিভি সিন্ধু গ্রুপ লিগের প্রথম ম্যাচেই বুঝিয়ে দিয়েছিলেন দারুণ ছন্দে রয়েছেন। ভারতীয় এই ব্যাডমিন্টন তারকার ঝড়ে উড়ে গিয়েছিলেন ইজরায়েলের কেসিনিয়া পোলিকারপোভা। জে গ্রুপের দ্বিতীয় ম্যাচেও ছন্দ ধরে রাখলেন। সিন্ধু এদিন চেয়াংকে হারালেন ২১৯, ২১১৬ ব্যবধানে।আরও পড়ুনঃ শিক্ষকদের মমতার উপহার উৎসশ্রী আসলে কী? জানুনএনগান চেয়াংয়ের পক্ষে খুব বেশি প্রতিরোধ করার সুযোগ ছিল না। প্রথম গেমে এদিন চেয়াংকে দাঁড়াতেই দেননি। শুরু থেকেই ম্যাচে লিড নিতে থাকেন সিন্ধু। একসময় ৫২ ব্যবধানে এগিয়ে যান। এরপর আস্তে আস্তে লিড বাড়তে থাকে। শেষ পর্যন্ত ২১৯ ব্যবধানে প্রথম গেম জিতে নেন সিন্ধু। দ্বিতীয় গেমে অবশ্য কিছুটা খেলায় ফেরেন এনগান চেয়ুং। সিন্ধুর সঙ্গে সমানে সমানে লড়াই করতে থাকেন। একসময় ৬২ ব্যবধানে এগিয়ে ছিলেন সিন্ধু। সেখান থেকে টানা ৫ পয়েন্ট তুলে নিয়ে ৭৬ ব্যবধানে এগিয়ে যান চেয়ুং। দ্বিতীয় গেমের শেষ দিকে লড়াই দারুণ জমে ওঠে। কখনও এগিয়ে যান চেয়ুং, কখনও আবার সিন্ধু। শেষ পর্যন্ত ২১১৬ ব্যবধানে দ্বিতীয় গেম জিতে কোয়ার্টার ফাইনালে পৌঁছে যান বিশ্বে ৬ নম্বর এই ভারতীয় ব্যাডমিন্টন তারকা। আরও পড়ুনঃ লম্বা চুল রাখা যাবে না, লক্ষ্মীর ফতোয়াগ্রুপের প্রথম ম্যাচে ইজরায়েলের কেসিনিয়া পোলিকারপোভাকে উড়িয়ে দিয়েছিলেন। দ্বিতীয় ম্যাচেও সহজ জয়। গ্রুপ লিগে সহজ প্রতিপক্ষ পেলেও এবার আসল লড়াই কোয়ার্টার ফাইনালে। তবে পদক জয়ের সম্ভাবনা উজ্জ্বল করলেন পিভি সিন্ধু। রিও অলিম্পিকে রুপো জিতেছিলেন। টোকিও থেকে সোনা নিয়ে আসার স্বপ্ন। স্বপ্নপূরণের দিকে আরও একধাপ এগোলেন।

জুলাই ২৮, ২০২১
খেলার দুনিয়া

PV Sindhu : ‌পোলিকারপোভাকে উড়িয়ে দারুণভাবে অলিম্পিক অভিযান শুরু করলেন সিন্ধু

রিও অলিম্পিকে রুপো জিতেছিলেন। এবার টোকিও অলিম্পিকে পাখির চোখ করছেন সোনার পদক। সেই লক্ষ্যে প্রথম ধাপ দারুণভাবে উতরে গেলেন পিভি সিন্ধু। জে গ্রুপের প্রথম ম্যাচেই উড়িয়ে দিলেন ইজরায়েলের কেসেনিয়া পোলিকারপোভাকে। অতিমারীর আবহেও গত কয়েক মাসে অলিম্পিকের প্রস্তুতিতে কোনও ফাঁক রাখেননি সিন্ধু, গ্রুপ লিগের প্রথম ম্যাচেই বুঝিয়ে দিলেন। ভারতীয় এই ব্যাডমিন্টন তারকার ঝড়ে উড়ে গেলেন পোলিকারপোভা। ২১৭, ২১১০ ব্যবধানে প্রথম ম্যাচ জিতে নিলেন সিন্ধু।আরও পড়ুনঃ টোকিও অলিম্পিকে প্রথম পদক ভারতেরএদিন পোলিকারপোভাকে কোনও সুযোগই দেননি বিশ্ব র্যাঙ্কিংয়ে ৭ নম্বরে থাকা পিভি সিন্ধু। ম্যাচের প্রথম পয়েন্ট অবশ্য তুলে নিয়েছিলেন পোলিকারপোভা। প্রথম গেমের শুরুর দিকে সিন্ধুকে কিছুটা জড়তা ছিল সিন্ধুর। যতই হোক অলিম্পিকের মতো প্রতিযোগিতা বলে কথা। তাও আবার প্রথম ম্যাচ। দীর্ঘদিন আন্তর্জাতিক পর্যায়ে খেলার সুযোগও পাননি। জড়তা থাকাই স্বাভাবিক। আড়ষ্টতা কাটিয়ে উঠে নিজের সেরা ছন্দে পৌঁছতেই খড়কুটোর মতো উড়ে গেলেন কেসিনিয়া পোলিকারপোভা। প্রথম সেটে একসময় ৩১ পয়েন্টে এগিয়ে গিয়েছিলেন পোলিকারপোভা। সেখান থেকে ৪৪ করেন সিন্ধু। তারপর আর পেছন ফিরে তাকাতে হয়নি এই ভারতীয় ব্যাডমিন্টন তারকাকে। একসময় টানা ১৪ পয়েন্ট তুলে নেন। পোলিকারপোভাকে ৫ পয়েন্টে দাঁন করিয়ে রেখে তিনি পৌঁছে যান ১৯ পয়েন্টে। শেষ পর্যন্ত ২১৭ ব্যবধানে সেট জিতে নেন।আরও পড়ুনঃ পিছিয়ে পড়েও দুর্দান্ত প্রত্যাবর্তন সুতীর্থার, পৌঁছে গেলেন দ্বিতীয় রাউন্ডেপ্রথম সেট জিতে আত্মবিশ্বাস অনেকটাই বেড়ে যায় পিভি সিন্ধুর। দ্বিতীয় সেটে কোনও সুযোগই দেননি বিশ্ব র্যাঙ্কিংকে ৫৮ নম্বরে থাকা কেসিনিয়া পোলিকারপোভাকে। প্রতিপক্ষকে ৩ পয়েন্টে দাঁড় করিয়ে ১০ পয়েন্টে পৌঁছে যান সিন্ধু। টানা ৭ পয়েন্ট তুলে নেওয়ার পর পয়েন্ট হারান। তবে সেই সুযোগ নিতে পারেননি ইজরায়েলী পোলিকারপোভা। শেষ পর্যন্ত ২১১০ ব্যবধানে প্রথম ম্যাচ জিতে নেন। মাত্র ২৮ মিনিটেই ম্যাচ শেষ। পোলিকারপোভার বিরুদ্ধে এদিন তেমন কোনও ভুল করেননি সিন্ধু। রিও অলিম্পিকে রুপো জিতেছিলেন। টোকিও থেকে সোনা নিয়ে আসার স্বপ্ন। তার একটা ধাপ সবেমাত্র অতিক্রম করলেন এই ভারতীয় ব্যাডমিন্টন তারকা। পরের ম্যাচে হংকংয়ের ছেউং এনগান ইর মুখোমুখি হবেন তিনি। সহজ গ্রুপে পড়লেও প্রতিপক্ষকে মোটেই হালকাভাবে নিতে চান না পিভি সিন্ধু।

জুলাই ২৫, ২০২১
খেলার দুনিয়া

PV Sindhu : আক্রান্ত সিন্ধু, আঙুলের নখে শোভা পাচ্ছে অলিম্পিক রিং

রিও অলিম্পিকে রুপো জিতেছিলেন। এবার টোকিও অলিম্পিকে পাখির চোখ করছেন সোনার পদক। টোকিও পা দেওয়ার আগেই অলিম্পিক জ্বরে আক্রান্ত ভারতীয় মহিলা ব্যাডমিন্টন তারকা পিভি সিন্ধু। তার প্রমাণ সিন্ধুর আঙুলের নখে শোভা পাচ্ছে অলিম্পিক রিং। প্রস্তুতির মাঝেই টুইটারে একটা ছবি শেয়ার করেছেন পিভি সিন্ধু। সেই ছবিতে ভারতীয় এই ব্যাডমিন্টন তারকার মধ্যমা ও অনামিকা নখে শোভা পাচ্ছে অলিম্পিক রিং। এই ছবি পোস্ট করে সিন্ধু লিখেছেন, অলিম্পিক ফিভার। অতিমারীর আবহেও গত কয়েক মাসে অলিম্পিকের প্রস্তুতিতে কোনও ফাঁক রাখেননি পিভি সিন্ধু। করোনা তাঁর প্রস্তুতিতে কোনও ব্যাঘাত ঘটায়নি বলেও জানিয়েছেন তিনি। বরং একা একা অনুশীলনে নিজের দক্ষতা অনেকটাই বাড়িয়ে নিয়েছেন। মঙ্গলবার প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে ভার্চুয়াল আলোচনায় হাজির ছিলেন পিভি সিন্ধু। সেখানে ডায়েট সম্পর্কে এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, অলিম্পিকের আগে ডায়েটের কথা মাথায় রাখতেই হচ্ছে। তাই খুব বেশি আইসক্রিম খেতে পারছি না। অন্যান্য খাবারের দিকেও নজর দিতে হচ্ছে।টোকিও অলিম্পিকে তুলনামূলক সহজ গ্রুপে রয়েছেন পিভি সিন্ধু। গ্রুপে তাঁর চেয়ে র্যাঙ্কিংয়ে অনেক নিচের দিকে থাকে ইজরায়েলেন সোনিয়া পোলিকারপোভা ও হংকংয়ের ছেউং এনগান ইর মুখোমুখি হবেন তিনি। সহজ গ্রুপে পড়লেও প্রতিপক্ষকে মোটেই হালকাভাবে নিতে চান না পিভি সিন্ধু। শেষ ষোলোয় বিশ্বের ১২ নম্বর মিয়া ব্লিচফেল্টের বিরুদ্ধে খেলতে হতে পারে। রিও অলিম্পিকে সোনার পদকজয়ী ক্যারোলিনা মারিন চোটের জন্য টোকিও অলিম্পিক থেকে ছিটকে গেছেন। তাঁর কাছেই রিওতে ফাইনালে হারতে হয়েছিল সিন্ধুকে। টোকিওতে মারিনকে মিস করবেন বলে জানিয়েছেন এই ভারতীয় ব্যাডমিন্টন তারকা।রিও অলিম্পিকে ফাইনালে পৌঁছেও শেষরক্ষা হয়নি। মারিনের কাছে হেরে রুপো নিয়েই সন্তুষ্ট থাকতে হয়েছিল। আগের অলিম্পিকে সোনা না জেতার আক্ষেপ টোকিওতে মেটাতে চান সিন্ধু। তাঁর লক্ষ্য দেশকে সোনা এনে দেওয়া। ভার্চুয়াল আলোচনায় প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির কথায় অনুপ্রানিত এই ভারতীয় ব্যাডমিন্টন তারকা।

জুলাই ১৫, ২০২১

ট্রেন্ডিং

রাজ্য

উপনির্বাচনের আগে বড় সিদ্ধান্ত কমিশনের, ‘তৃণমূল কংগ্রেস’ নাম ও জোড়াফুল প্রতীক ফ্রিজ

পশ্চিমবঙ্গের বিধানসভা উপনির্বাচনের আগে বড় সিদ্ধান্ত নিল নির্বাচন কমিশন। তৃণমূল কংগ্রেসের দলীয় নাম এবং নির্বাচনী প্রতীক আপাতত ফ্রিজ করে দেওয়া হয়েছে। ফলে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের নেতৃত্বাধীন গোষ্ঠী এবং বিরোধী গোষ্ঠীকেউই আসন্ন উপনির্বাচনে অল ইন্ডিয়া তৃণমূল কংগ্রেস নাম বা দলের জোড়াফুল প্রতীক ব্যবহার করতে পারবে না।দলীয় নাম ও প্রতীকের মালিকানা নিয়ে দুই গোষ্ঠীর মধ্যে বিরোধের জেরেই এই অন্তর্বর্তী নির্দেশ দিয়েছে কমিশন। নির্বাচন কমিশন জানিয়েছে, বিষয়টি বর্তমানে প্রতীক সংক্রান্ত নির্দেশের ১৫ নম্বর অনুচ্ছেদের অধীনে বিবেচনাধীন রয়েছে। চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত না হওয়া পর্যন্ত দুই পক্ষকেই পৃথক পরিচয় এবং আলাদা নির্বাচনী প্রতীকে উপনির্বাচনে লড়তে হবে।কমিশনের নির্দেশ অনুযায়ী, দুই গোষ্ঠীকেই তিনটি করে পছন্দের দলের নাম এবং তিনটি করে প্রতীকের বিকল্প জানাতে বলা হয়েছে। ১৮ সেপ্টেম্বর সকাল ১১টার মধ্যে সেই তালিকা জমা দিতে হবে। এরপর কমিশন দুই পক্ষের জন্য পৃথক নাম ও প্রতীক বরাদ্দ করবে।নন্দীগ্রাম ও রেজিনগর বিধানসভা আসনের উপনির্বাচনকে সামনে রেখে তৃণমূলের দলীয় পরিচয় ও প্রতীক নিয়ে এই বিরোধ আরও গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছে। দুই পক্ষই নিজেদের তৃণমূল কংগ্রেসের বৈধ প্রতিনিধি বলে দাবি করেছে। কমিশনের চূড়ান্ত সিদ্ধান্তের পরই স্পষ্ট হবে দলীয় নাম ও সংরক্ষিত প্রতীকের অধিকার কার হাতে থাকবে।ততদিন পর্যন্ত উপনির্বাচনে কোনও গোষ্ঠীই অল ইন্ডিয়া তৃণমূল কংগ্রেস নাম বা জোড়াফুল প্রতীক ব্যবহার করতে পারবে না।

সেপ্টেম্বর ১৭, ২০২৬
রাজ্য

‘কোনও যোগ্য উপভোক্তা অন্নপূর্ণার সুবিধা থেকে বঞ্চিত হবেন না', জন্মদিনে মোদীর গ্যারান্টিতে উচ্ছ্বাস মহিলাদের

প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির জন্মদিন উপলক্ষে বৃহস্পতিবার বাংলায় পালিত হল অন্নপূর্ণা দিবস। এই উপলক্ষে অন্নপূর্ণা যোজনার আওতায় রাজ্যের ১.৫৮ কোটি মহিলার ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টে মাসিক ৩ হাজার টাকা করে আর্থিক সহায়তা পাঠানোর প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে। সল্টলেকে আয়োজিত অনুষ্ঠানে ভার্চুয়ালি বক্তব্য রাখতে গিয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেন, রাজ্যের প্রতিটি যোগ্য মহিলা যাতে এই প্রকল্পের সুবিধা পান, তা নিশ্চিত করাই সরকারের লক্ষ্য।এদিন কলকাতার সল্টলেকে আয়োজিত অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। তিনি ঘোষণা করেন, প্রতি বছর ১৭ সেপ্টেম্বর প্রধানমন্ত্রীর জন্মদিন অন্নপূর্ণা দিবস হিসেবে পালন করা হবে। তাঁর বক্তব্য, প্রধানমন্ত্রী মোদির প্রতিশ্রুতি অনুযায়ী রাজ্যে মহিলাদের মাসিক ৩ হাজার টাকা আর্থিক সহায়তা দেওয়ার এই প্রকল্প চালু করা হয়েছে।অন্নপূর্ণা যোজনা পশ্চিমবঙ্গ সরকারের একটি আর্থিক সহায়তা প্রকল্প। এই প্রকল্পের আওতায় যোগ্য মহিলাদের সরাসরি ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টে প্রতি মাসে ৩ হাজার টাকা করে দেওয়া হয়। মুখ্যমন্ত্রী জানান, সেপ্টেম্বর মাসের কিস্তির টাকা ১.৫৮ কোটি উপভোক্তার মধ্যে অধিকাংশের অ্যাকাউন্টে ইতিমধ্যেই পাঠানো হয়েছে। বাকি উপভোক্তাদের অ্যাকাউন্টেও বৃহস্পতিবারের মধ্যে পৌঁছে যাবে বলে আশ্বাস দেন তিনি।কোনও যোগ্য মহিলা যেন বঞ্চিত না হন, বার্তা মোদিরঅনুষ্ঠানে ভার্চুয়ালি বক্তব্য রাখতে গিয়ে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি বলেন, গত ১২ বছরে রাজ্যের মানুষের অন্যতম বড় অভিযোগ ছিল, কেন্দ্রীয় সরকারের একাধিক প্রকল্পের সুবিধা সময়মতো তাঁদের কাছে পৌঁছত না। আগের তৃণমূল সরকারের নাম উল্লেখ না করেই তিনি বলেন, এর ফলে সবচেয়ে বেশি সমস্যায় পড়েছিলেন দরিদ্র পরিবারগুলি। তবে বর্তমানে বিজেপি সরকার আটকে থাকা প্রকল্পগুলির কাজ দ্রুত এগিয়ে নিয়ে যাচ্ছে বলে দাবি করেন তিনি।মোদির কথায়, বাংলার মহিলাদের হাতে যেমন সিদ্ধান্ত নেওয়ার ক্ষমতা থাকা প্রয়োজন, তেমনই এগিয়ে যাওয়ার সাহসও থাকা দরকার। সেই লক্ষ্য পূরণে অন্নপূর্ণা যোজনা গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে বলে মনে করেন প্রধানমন্ত্রী।তিনি বলেন, কোনও মায়ের কাছে এই ৩ হাজার টাকা সন্তানের পড়াশোনার খরচ হতে পারে। কোনও বোনের কাছে তা ওষুধ কেনা কিংবা সংসারের প্রয়োজনীয় জিনিসপত্র কেনার কাজে লাগতে পারে। পরিবারের ছোট-বড় নানা সিদ্ধান্ত নেওয়ার পাশাপাশি মহিলারা সংসারের একাধিক দায়িত্ব সামলান। নিত্যপ্রয়োজনীয় খরচের চিন্তা কমলে তাঁদের আত্মবিশ্বাসও বাড়বে বলে মন্তব্য করেন তিনি।প্রধানমন্ত্রী আরও জানান, মা, বোন ও মেয়েদের জীবনের প্রতিটি পর্যায়ের সমস্যার সমাধান করাই সরকারের অগ্রাধিকারের মধ্যে রয়েছে। অন্নপূর্ণা যোজনার মাধ্যমে বাংলার মহিলাদের জীবনে নতুন শক্তি যোগ হয়েছে বলেও দাবি করেন তিনি। এই প্রকল্পে কোনও মধ্যস্থতাকারী বা কাটমানি নেই বলে উল্লেখ করে মোদি বলেন, একজন যোগ্য মহিলাও যাতে প্রকল্পের সুবিধা থেকে বঞ্চিত না হন, তা নিশ্চিত করতে সরকার নিরন্তর কাজ করছে।প্রধানমন্ত্রী আবাস যোজনায় ৫০ লক্ষ উপভোক্তার তালিকা তৈরির ঘোষণাএদিনের অনুষ্ঠান থেকে প্রধানমন্ত্রী আবাস যোজনা নিয়েও বক্তব্য রাখেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। তিনি জানান, বাংলায় এই প্রকল্পের আওতায় ৫০ লক্ষ উপভোক্তার তালিকা তৈরির কথা ঘোষণা করেছেন প্রধানমন্ত্রী। মুখ্যমন্ত্রীর দাবি, প্রকল্পের আওতায় তৈরি হতে চলা সমস্ত নতুন বাড়ির মালিকানা থাকবে মহিলাদের হাতে।মহিলাদের উপর অত্যাচার রুখতে কমিশন গঠনের দাবি মুখ্যমন্ত্রীররাজ্যে মহিলাদের উপর অপরাধ ও অত্যাচারের প্রসঙ্গও উঠে আসে মুখ্যমন্ত্রীর বক্তব্যে। শুভেন্দু অধিকারী জানান, গত চার মাসে রাজ্যে মহিলাদের উপর অত্যাচারের অভিযোগ খতিয়ে দেখতে অবসরপ্রাপ্ত বিচারপতি সমাপ্তি চট্টোপাধ্যায়ের নেতৃত্বে একটি কমিশন গঠন করা হয়েছে।রাজ্যের কোনও মহিলাকে যাতে অত্যাচারের শিকার হতে না হয়, তা নিশ্চিত করতে বিজেপি সরকার প্রতিশ্রুতিবদ্ধ বলেও দাবি করেন তিনি। পাশাপাশি, নেশামুক্ত বাংলা গড়ে তুলতে মহিলাদের এগিয়ে আসার আহ্বান জানান মুখ্যমন্ত্রী।বাল্যবিবাহ ও কিশোরী মাতৃত্ব নিয়ে উদ্বেগরাজ্যে বাল্যবিবাহ এবং কিশোরী মাতৃত্বের পরিস্থিতি নিয়েও উদ্বেগ প্রকাশ করেন শুভেন্দু অধিকারী। তাঁর বক্তব্য, এই ক্ষেত্রে মুর্শিদাবাদ ও দক্ষিণ ২৪ পরগনা জেলা উল্লেখযোগ্যভাবে এগিয়ে রয়েছে।মুখ্যমন্ত্রী আশ্বাস দেন, তাঁর সরকারের আমলে ১৮ বছরের কম বয়সি কোনও মেয়ের বিয়ে হতে দেওয়া হবে না। যাঁরা এই ধরনের বিয়ে দিয়েছেন বা বিয়েতে সহযোগিতা করেছেন, তাঁদের বিরুদ্ধে আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলেও জানান তিনি।

সেপ্টেম্বর ১৭, ২০২৬
রাজ্য

প্রদীপের আলোয় তৈরি প্রধানমন্ত্রীর প্রতিকৃতি! মোদীর জন্মদিনে বাংলার বুকে এলাহি আয়োজন চমকে দিতে বাধ্য

প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর জন্মদিন উপলক্ষে অভিনব উদ্যোগ পুরুলিয়ায়। এক লক্ষ প্রদীপ জ্বালিয়ে প্রধানমন্ত্রীর বিশাল প্রতিকৃতি তৈরি করে তাঁকে জন্মদিনের শুভেচ্ছা জানানো হল। আশীর্বাদ কা দিয়া অনুষ্ঠানের অঙ্গ হিসেবে পুরুলিয়া ইনডোর স্টেডিয়ামে এই বিশেষ আয়োজন করা হয়।প্রায় ২,৫০০ বর্গফুট এলাকা জুড়ে তৈরি করা হয়েছে নরেন্দ্র মোদীর এই বিশাল প্রতিকৃতি। ঝাড়খণ্ডের ১১ জন শিল্পী তিন দিন ধরে পরিশ্রম করে বিভিন্ন রঙের এক লক্ষ প্রদীপ ব্যবহার করে এই শিল্পকর্ম তৈরি করেছেন। প্রদীপ দিয়ে তৈরি এই প্রতিকৃতি অনুষ্ঠানের অন্যতম আকর্ষণ হয়ে উঠেছে।শিল্পী সুজয় কুমার জানিয়েছেন, ঝাড়খণ্ডের বোকারো, গিরিডি ও হাজারিবাগের ১১ জন শিল্পী এই কাজে অংশ নিয়েছেন। সাধারণত বিভিন্ন উপকরণ কিংবা বর্জ্য সামগ্রী ব্যবহার করে মোজাইক শিল্প তৈরি করা হয়। তবে এবার প্রায় এক লক্ষ প্রদীপ ব্যবহার করে প্রধানমন্ত্রীর প্রতিকৃতি তৈরি করা হয়েছে।উল্লেখ্য, গুজরাটের মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব পালন থেকে শুরু করে দেশের প্রধানমন্ত্রী হওয়া পর্যন্ত নরেন্দ্র মোদীর জনজীবনের ২৫ বছর পূর্তি উপলক্ষে দেশজুড়ে বিভিন্ন কর্মসূচির আয়োজন করা হচ্ছে। সেই কর্মসূচির অংশ হিসেবেই পুরুলিয়ায় এই বিশেষ অনুষ্ঠানের আয়োজন বলে জানা গিয়েছে।স্থানীয় বিজেপি নেতৃত্বের দাবি, এ বছর পুরুলিয়ায় প্রধানমন্ত্রীর জন্মদিন বিশেষভাবে উদযাপন করা হচ্ছে। সেবা সংকল্প অভিযান-এর অধীনে বিভিন্ন সামাজিক ও জনকল্যাণমূলক কর্মসূচি নেওয়া হয়েছে। আশীর্বাদ কা দিয়া অনুষ্ঠানের মাধ্যমে সেই কর্মসূচির সূচনা হয়েছে। প্রধানমন্ত্রীর জন্মদিন উপলক্ষে প্রদীপ জ্বালিয়ে এই বিশাল প্রতিকৃতি তৈরি ঘিরে পুরুলিয়ায় উৎসবের আবহ তৈরি হয়েছে।

সেপ্টেম্বর ১৭, ২০২৬
রাজ্য

দায়িত্ব বাড়লেও বদলায়নি শিকড়ের টান! ১৫০ বছরের মনসা মেলায় পুতুলের দোকানে বিকিকিনিতে ব্যস্ত বিধায়ক কৃষ্ণকান্ত সাহা

বিধায়ক হয়েছেন, বেড়েছে দায়িত্ব। কিন্তু শৈশবের স্মৃতি আর পরিবারের সঙ্গে জড়িয়ে থাকা পুরনো ঐতিহ্য আজও অমলিন। বীরভূমের সাঁইথিয়া বিধানসভা কেন্দ্রের প্রায় ১৫০ বছরের পুরনো মনসা পুজোর মেলায় পরিবারের সঙ্গে পুতুলের দোকানে বসে সেই কথাই যেন মনে করিয়ে দিলেন বিধায়ক কৃষ্ণকান্ত সাহা। ভাইদের সঙ্গে দোকান সামলাতে দেখা গেল তাঁকে।বিধায়ক কৃষ্ণকান্ত সাহার কাছে এই মেলা শুধুমাত্র পুজো বা উৎসবের জায়গা নয়। তাঁর শৈশবের বহু স্মৃতি জড়িয়ে রয়েছে এই মেলার সঙ্গে। ছোটবেলায় বাবার হাত ধরে দেউচা রঘুনাথপুরের এই মেলায় আসতেন তিনি। মেলায় তাঁর বাবা দোকান বসাতেন। বাবার সঙ্গে সেই দোকানে বসে খদ্দের সামলানো, মেলার ভিড় দেখা সবই ছিল তাঁর ছোটবেলার পরিচিত অভিজ্ঞতা।সময়ের সঙ্গে বদলেছে জীবন। শৈশবের সেই দিনগুলি পেরিয়ে বর্তমানে সাঁইথিয়া বিধানসভা কেন্দ্রের বিধায়ক কৃষ্ণকান্ত সাহা। বেড়েছে রাজনৈতিক ও প্রশাসনিক দায়িত্বও। তবে সেই পরিবর্তনের মধ্যেও পুরনো মেলার সঙ্গে সম্পর্ক অটুট রেখেছেন তিনি।এবার মনসা পুজো উপলক্ষে পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে মেলায় ফিরে পুতুলের দোকানে বসেন বিধায়ক। ভাইদের সঙ্গে দোকান সামলানোর সময় তাঁকে দেখতে ভিড় জমান মেলায় আসা মানুষজন। কেউ দূর থেকে তাঁকে দেখেন, আবার কেউ এগিয়ে এসে কথা বলেন। রাজনৈতিক পরিচয়ের বাইরে পরিবারের সঙ্গে তাঁর এই উপস্থিতি নজর কাড়ে স্থানীয়দের।কৃষ্ণকান্ত সাহার বক্তব্য, দায়িত্ব ও পদ একজন মানুষের জীবনে পরিবর্তন আনতে পারে, কিন্তু শিকড় এবং শৈশবের স্মৃতি কখনও মুছে যায় না। বাবার সঙ্গে কাটানো দিনগুলি এখনও তাঁর মনে গভীরভাবে গেঁথে রয়েছে বলেও জানিয়েছেন তিনি।প্রায় দেড়শো বছরের পুরনো এই মেলায় পরিবারের দোকান আর শৈশবের স্মৃতি যেন ফের একসূত্রে বাঁধল বিধায়ককে। জনপ্রতিনিধি হওয়ার পরেও পুরনো ঐতিহ্যের সঙ্গে তাঁর এই সংযোগ স্থানীয়দের মধ্যে আলোচনার বিষয় হয়ে উঠেছে।

সেপ্টেম্বর ১৭, ২০২৬
দেশ

ব্রিকসের পর হঠাৎ শি জিনপিংয়ের স্ট্রোক? ভাইরাল দাবিতে তোলপাড়, কী বলল দিল্লি?

ভারতের মাটিতে সদ্য শেষ হয়েছে ব্রিকসের ১৮তম শীর্ষ সম্মেলন। সম্মেলনে চিনের প্রেসিডেন্ট শি জিনপিং-সহ একাধিক রাষ্ট্রনেতা যোগ দেন। শি ১২ ও ১৩ সেপ্টেম্বর দিল্লিতে ব্রিকসের দুই অধিবেশনেও অংশ নেন। কিন্তু সম্মেলন শেষ হওয়ার পরই তাঁর স্বাস্থ্য নিয়ে সামাজিক মাধ্যমে একটি দাবি ছড়িয়ে পড়ে।চিনের গণতন্ত্র পার্টির চেয়ারম্যান ওয়ানজুন শিয়ে সামাজিক মাধ্যমে দাবি করেন, দিল্লিতে ব্রিকস সম্মেলনে যোগ দেওয়ার সময় শি জিনপিং অসুস্থ হয়ে পড়েছিলেন এবং তাঁর স্ট্রোক হয়েছিল। তাঁর আরও দাবি, পরে বিশেষ বিমানে শিকে চিনে ফিরিয়ে নিয়ে যাওয়া হয় এবং সেখানে তাঁর চিকিৎসা করা হয়। তবে এই দাবির পক্ষে কোনও চিকিৎসা সংক্রান্ত নথি বা সরকারি প্রমাণ সামনে আসেনি। ভারতের সাম্প্রতিক প্রতিবেদনগুলিও জানিয়েছে, দাবিটি স্বাধীন ভাবে যাচাই করা যায়নি।এদিকে চিনের সরকারি তথ্যের সঙ্গে ভাইরাল দাবির বেশ কিছু অমিল রয়েছে। চিনের বিদেশ মন্ত্রকের সরকারি বিবরণ অনুযায়ী, শি জিনপিং ১২ সেপ্টেম্বর ব্রিকসের প্রথম অধিবেশনে এবং ১৩ সেপ্টেম্বর দ্বিতীয় অধিবেশনে অংশ নেন। দুই অধিবেশনেই তিনি বক্তব্য রাখেন এবং অন্যান্য রাষ্ট্রনেতাদের সঙ্গে বৈঠক করেন।চিনের বিদেশ মন্ত্রক আরও জানিয়েছে, ১৩ সেপ্টেম্বর দুপুরে শি জিনপিং ব্রিকস সম্মেলনে তাঁর কর্মসূচি শেষ করে বেজিংয়ের উদ্দেশে রওনা দেন। অর্থাৎ সরকারি নথিতে তাঁর সফর নির্ধারিত কর্মসূচি মেনেই শেষ হওয়ার কথা জানানো হয়েছে।শুধু শি জিনপিং নন, ব্রিকস সম্মেলনে যোগ দেওয়া একাধিক রাষ্ট্রনেতা দেশে ফিরে অসুস্থ হয়ে পড়েছেন বলেও সামাজিক মাধ্যমে বিভিন্ন পোস্ট ছড়ায়। দক্ষিণ আফ্রিকার প্রেসিডেন্ট সিরিল রামাফোসার স্বাস্থ্য নিয়েও এমন আলোচনা শুরু হয়।এই ধরনের দাবির বিরুদ্ধে ভারতের বিদেশ মন্ত্রকের তরফে সতর্ক করা হয়েছে। মন্ত্রকের তথ্য যাচাই সংক্রান্ত শাখা সামাজিক মাধ্যমে একাধিক রাষ্ট্রনেতার অসুস্থতা নিয়ে ছড়ানো পোস্টকে ভুয়ো এবং বিভ্রান্তিকর বলে সতর্ক করেছে। মানুষকে এই ধরনের বিভ্রান্তিকর পোস্টে বিশ্বাস না করারও বার্তা দেওয়া হয়েছে।তবে শি জিনপিংয়ের ক্ষেত্রে বিষয়টি আরও সতর্কতার সঙ্গে দেখা প্রয়োজন। কারণ তাঁর স্ট্রোক, অজ্ঞান হয়ে যাওয়া বা অস্ত্রোপচারের দাবি কোনও সরকারি সূত্র নিশ্চিত করেনি। একই সঙ্গে চিনের সরকারও এমন কোনও স্বাস্থ্যগত ঘটনার কথা ঘোষণা করেনি। ফলে সামাজিক মাধ্যমে ছড়ানো ওই দাবিকে এই মুহূর্তে নিশ্চিত খবর হিসেবে দেখার সুযোগ নেই।অন্যদিকে, ব্রিকস সম্মেলনে শি জিনপিংয়ের উপস্থিতি এবং তাঁর বক্তব্যের বিষয়ে চিনের সরকারি নথি রয়েছে। সম্মেলনের পর তাঁর বেজিং ফেরার বিষয়টিও চিনের বিদেশ মন্ত্রক জানিয়েছে। ফলে শি জিনপিংয়ের স্বাস্থ্য নিয়ে ছড়ানো দাবির সত্যতা নিয়ে এখনও অনিশ্চয়তা রয়েছে।সব মিলিয়ে, ব্রিকস সম্মেলনের পর শি জিনপিংয়ের অসুস্থতা নিয়ে যে দাবি ছড়িয়েছে, তার কোনও স্বাধীন ও নির্ভরযোগ্য প্রমাণ এখনও সামনে আসেনি। অন্যদিকে, বিদেশ মন্ত্রক একাধিক রাষ্ট্রনেতাকে নিয়ে ছড়ানো অসুস্থতার দাবিকে ভুয়ো বলে সতর্ক করেছে। তাই এই মুহূর্তে শি জিনপিংয়ের স্ট্রোক বা জরুরি অস্ত্রোপচারের দাবিকে সত্য বলে ধরে নেওয়ার কোনও ভিত্তি নেই।

সেপ্টেম্বর ১৭, ২০২৬
দেশ

নিজের জন্মদিনে বাংলার মহিলাদের জন্য মোদীর বড় বার্তা! বললেন, ‘আপনাদের ভরসাই আমার শক্তি’

প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর ৭৬তম জন্মদিনে বাংলার মহিলাদের উদ্দেশে বিশেষ বার্তা দিলেন তিনি। বাংলার মা-বোনেরা তাঁকে যে ভাবে ভালবাসা ও ভরসা দিয়েছেন, সেই কথাই নিজের বক্তব্যে তুলে ধরেন প্রধানমন্ত্রী। তাঁর কথায়, বাংলার মহিলাদের ভরসা তাঁকে শক্তি জুগিয়েছে।প্রধানমন্ত্রী বলেন, বাংলার মা-বোনেরা সবসময় তাঁকে ভালবাসা ও স্নেহ দিয়েছেন। তাঁদের আত্মীয়তার অনুভূতি তাঁকে সবসময় শক্তি জুগিয়েছে। তাঁর বক্তব্যে উঠে আসে, বাংলার মহিলাদের ভরসাই তাঁর শক্তি। পরিবর্তনের ক্ষেত্রেও বাংলার মহিলাদের গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকার কথা উল্লেখ করেন তিনি।এ দিন বাংলায় অন্নপূর্ণা যোজনার টাকাও উপভোক্তাদের ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টে পাঠানোর কর্মসূচি রয়েছে। সেপ্টেম্বর মাসের ৩ হাজার টাকা সরাসরি উপভোক্তাদের অ্যাকাউন্টে পাঠানোর কথা জানিয়েছে রাজ্য সরকার। এ বার প্রায় ১ কোটি ৫৮ লক্ষ মহিলা এই প্রকল্পের সুবিধা পাবেন বলে সরকারি ভাবে জানানো হয়েছে।অন্নপূর্ণা যোজনার প্রসঙ্গ তুলে প্রধানমন্ত্রী বলেন, সংসারে মহিলাদের উপর অনেক দায়িত্ব থাকে। পরিবারের প্রয়োজনীয় বিষয়গুলি সামলানোর পাশাপাশি তাঁদের নিজেদের প্রয়োজনও রয়েছে। হাতে কিছু অর্থ থাকলে জরুরি খরচ নিয়ে তাঁদের চিন্তা কমে এবং আত্মবিশ্বাস বাড়ে। সেই লক্ষ্যেই এই ধরনের আর্থিক সহায়তার কথা তুলে ধরেন তিনি।প্রধানমন্ত্রী আরও বলেন, সরকারের কাজের মূল লক্ষ্য হওয়া উচিত বেশি কাজ করা এবং কম কথা বলা। বাংলার মহিলাদের উদ্দেশে বক্তব্য রাখতে গিয়ে তাঁদের পরিশ্রম ও পরিবারের প্রতি দায়িত্বের কথাও উল্লেখ করেন তিনি।এ দিন বাংলায় পিএম বিশ্বকর্মা প্রকল্প নিয়েও বিশেষ কর্মসূচি রয়েছে। কলকাতায় এই প্রকল্পের তৃতীয় বর্ষপূর্তি উপলক্ষে অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়েছে। দেশের ঐতিহ্যবাহী কারিগর ও শিল্পীদের আর্থিক ও অন্যান্য সহায়তা দেওয়াই এই প্রকল্পের অন্যতম লক্ষ্য।এই প্রকল্পের আওতায় বিভিন্ন ধরনের ঐতিহ্যবাহী পেশার সঙ্গে যুক্ত কারিগর ও শিল্পীরা প্রশিক্ষণ, সরঞ্জাম কেনার সহায়তা এবং ঋণের সুবিধা পেতে পারেন। প্রকল্পের নিয়ম অনুযায়ী, যোগ্য উপভোক্তাদের প্রথম ধাপে ১ লক্ষ টাকা এবং পরে ২ লক্ষ টাকা পর্যন্ত জামানতবিহীন ঋণের সুযোগ রয়েছে। ঋণের সুদের হার ৫ শতাংশ।ফলে মোদীর জন্মদিনে বাংলায় একদিকে অন্নপূর্ণা যোজনার আর্থিক সহায়তা, অন্য দিকে পিএম বিশ্বকর্মা প্রকল্পের বর্ষপূর্তিদুই কর্মসূচিই বিশেষ গুরুত্ব পেয়েছে। বাংলার মহিলাদের উদ্দেশে প্রধানমন্ত্রীর বার্তা এবং কারিগরদের জন্য প্রকল্পের সুবিধা ঘিরে এ দিন রাজ্যজুড়ে রাজনৈতিক ও প্রশাসনিক মহলে আলোচনা তৈরি হয়েছে। অন্নপূর্ণা যোজনার সেপ্টেম্বরের অর্থসাহায্য এবং বিশ্বকর্মা প্রকল্পের কর্মসূচিদুই ক্ষেত্রেই সরকারি ঘোষণাই এখন মূল বিষয়।

সেপ্টেম্বর ১৭, ২০২৬
রাজ্য

পথ খরচ নিতে গিয়েই ফাঁদে! চার দশক পর কলকাতা পুলিশের জালে মাওবাদী নেতা আকাশ

পশ্চিম মেদিনীপুরের চন্দ্রকোনা এলাকার বাসিন্দা অসীম মণ্ডল ওরফে আকাশ ওরফে তিমির ওরফে মনোজকে পূর্ব মেদিনীপুরের পটাশপুর এলাকা থেকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে বলে পুলিশ সূত্রে খবর। তাঁর বিরুদ্ধে দীর্ঘদিন ধরে মাওবাদী সংগঠনের সঙ্গে যুক্ত থাকার অভিযোগ রয়েছে। পুলিশ সূত্রের দাবি, তাঁর মাথার দাম ছিল এক কোটি টাকা। দীর্ঘ প্রায় চার দশক ধরে পুলিশের নজর এড়িয়ে থাকার পর অবশেষে তাঁর গ্রেপ্তারি ঘিরে চাঞ্চল্য তৈরি হয়েছে।পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, বৃহস্পতিবার ভোরে পটাশপুর এলাকার কোনও একটি জায়গা থেকে আকাশকে গ্রেপ্তার করা হয়। অভিযোগ, এক পূর্ব পরিচিত ব্যক্তির কাছ থেকে পথ খরচ নেওয়ার জন্য সেখানে গিয়েছিলেন তিনি। সেই সময় কলকাতা পুলিশের টাস্ক ফোর্সের হাতে ধরা পড়েন তিনি। তাঁর কাছ থেকে দুটি ব্যাগ উদ্ধার হয়েছে বলে পুলিশ সূত্রে খবর। সেই ব্যাগে মাওবাদী সংগঠনের বই, পুস্তিকা এবং কিছু বৈদ্যুতিন সরঞ্জাম ছিল বলে জানা যাচ্ছে। তবে এই গ্রেপ্তারি নিয়ে রাজ্য পুলিশের তরফে এখনও আনুষ্ঠানিক ভাবে বিস্তারিত কিছু জানানো হয়নি।পশ্চিম মেদিনীপুরের চন্দ্রকোনা থানার ফুলচক এলাকার বাসিন্দা অসীম মণ্ডল ছাত্রজীবন থেকেই অতি বামপন্থী রাজনীতির সঙ্গে যুক্ত হন বলে পুলিশ সূত্রে জানা যায়। পরে তিনি পিপলস ওয়ার গ্রুপের সঙ্গে যুক্ত হন। সারেঙ্গা, গোয়ালতোড়-সহ জঙ্গলমহলের বিভিন্ন এলাকায় সংগঠনের কাজ করার পাশাপাশি ঝাড়খণ্ডের পূর্ব সিংভূম জেলার গুড়াবান্দা এলাকাতেও দীর্ঘদিন সক্রিয় ছিলেন বলে অভিযোগ।২০০৪ সালে সিপিআই মাওবাদী সংগঠন তৈরি হওয়ার পর জঙ্গলমহলে ফিরে সক্রিয় ভাবে সংগঠনের কাজ শুরু করেন অসীম। লালগড় আন্দোলনের সময়ও তাঁর গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা ছিল বলে তদন্তকারীদের দাবি। পরে ২০১০ সালে পশ্চিমবঙ্গ রাজ্য কমিটির সম্পাদকের দায়িত্ব পান তিনি। বাংলা, ঝাড়খণ্ড ও ওড়িশা নিয়ে গঠিত আঞ্চলিক কমিটির সঙ্গেও তিনি যুক্ত ছিলেন বলে পুলিশ সূত্রে খবর।কিষানজির মৃত্যুর পর মাওবাদী সংগঠনে তাঁর সক্রিয়তা আগের মতো ছিল না বলে তদন্তকারীদের দাবি। এরপর জঙ্গলমহল ছেড়ে ঝাড়খণ্ডে গা ঢাকা দেন আকাশ। দীর্ঘ প্রায় ১৫ বছর পর ফের বাংলায় আসার চেষ্টা করেন তিনি বলে পুলিশ সূত্রে জানা যাচ্ছে।সম্প্রতি ঝাড়খণ্ডে পুলিশের অভিযানে মাওবাদী সংগঠনের কয়েক জন সদস্য গ্রেপ্তার হন। তাঁদের মধ্যে তিন জনকে গ্রেপ্তার করা হয় এবং এক জন আত্মসমর্পণ করেন বলে জানা যায়। এরপর বাংলার মাওবাদী সংগঠনের সশস্ত্র কাঠামোও দুর্বল হয়ে পড়ে বলে তদন্তকারীদের দাবি।পুলিশ সূত্রে আরও জানা গিয়েছে, আকাশ দীর্ঘদিন জঙ্গলে থাকার পর শারীরিক সমস্যায় ভুগছিলেন। উচ্চ রক্তচাপ এবং কোমরের ব্যথার কারণে প্রায় চার দশক পর তিনি জঙ্গল ছেড়ে বেরিয়ে আসেন বলে তদন্তকারীদের দাবি। জঙ্গলে একটি একে-৪৭ এবং কিছু নথিপত্র রেখে তিনি গাড়িতে করে বাইরে বেরিয়েছিলেন বলেও পুলিশ সূত্রে জানা যাচ্ছে।এর পর আরও কয়েক জন মাওবাদী সদস্য পুলিশের কাছে আত্মসমর্পণ করেন। তাঁদের জিজ্ঞাসাবাদে আকাশ আত্মসমর্পণ করবেন না বলে জানিয়েছিলেন বলে তদন্তকারীদের দাবি। বরং কিছুদিন বাইরে থেকে পরিস্থিতি স্বাভাবিক হলে ফের জঙ্গলমহলে ফিরে যাওয়ার পরিকল্পনা ছিল তাঁর। সেই পরিকল্পনার মধ্যেই পুলিশের হাতে গ্রেপ্তার হলেন তিনি।তদন্তকারীদের দাবি, আত্মগোপনের জন্য পরিচিত এবং আত্মীয়দের কয়েক জনের কাছে আশ্রয় নেওয়ার কথা ভেবেছিলেন আকাশ। কিন্তু শেষ পর্যন্ত সন্দেহ এড়াতে বিভিন্ন জায়গায় ঘুরে বেড়াচ্ছিলেন তিনি। কখনও জায়গা বদল, কখনও ছদ্মবেশসব রকম ভাবে পুলিশের নজর এড়ানোর চেষ্টা চলছিল বলে তদন্তকারীদের দাবি। গ্রেপ্তারের আগে তাঁর কাছে প্রায় দেড় লাখ টাকা নগদ ছিল বলেও ঘনিষ্ঠ মহল সূত্রে জানা যাচ্ছে।আকাশের স্ত্রীও পূর্ব মেদিনীপুরের পটাশপুর এলাকার বাসিন্দা বলে পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে। তিনিও মাওবাদী সংগঠনের সক্রিয় সদস্য ছিলেন বলে অভিযোগ। ২০১০ সালে কলকাতা পুলিশের টাস্ক ফোর্স তাঁকে গ্রেপ্তার করেছিল বলে জানা যায়। বর্তমানে তিনি জেলে রয়েছেন।আকাশের গ্রেপ্তারের পর বাংলা, ঝাড়খণ্ড ও ওড়িশায় মাওবাদী দমনে যুক্ত নিরাপত্তা সংস্থাগুলির কাছে এই ঘটনা গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছে। দীর্ঘদিন ধরে পুলিশের ধরাছোঁয়ার বাইরে থাকা এক মাওবাদী নেতার গ্রেপ্তারের পর তাঁর কাছ থেকে উদ্ধার হওয়া নথি ও বৈদ্যুতিন সরঞ্জাম খতিয়ে দেখা হচ্ছে বলে সূত্রের খবর। সেগুলি থেকে সংগঠনের বর্তমান বা অতীত কার্যকলাপ সম্পর্কে আরও তথ্য পাওয়া যায় কি না, এখন সেদিকেই নজর তদন্তকারীদের।

সেপ্টেম্বর ১৭, ২০২৬
কলকাতা

১৩ বছর পর ফের খুলবে মহাকরণের দরজা? মুখ্যমন্ত্রীর ঘর তৈরির কাজ শেষের পথে

পুজোর আর বেশি দিন বাকি নেই। তার আগেই রাজ্য প্রশাসনের ঠিকানায় বড় বদলের সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে। দীর্ঘ ১৩ বছর পর ফের মহাকরণ থেকে প্রশাসনিক কাজ শুরু করার প্রস্তুতি চলছে। পূর্ত দফতর সূত্রে খবর, আগামী ১০ অক্টোবরের মধ্যে মুখ্যমন্ত্রী-সহ ছয় মন্ত্রীর ঘর তৈরির কাজ শেষ করার লক্ষ্যমাত্রা নেওয়া হয়েছে।মহাকরণে মুখ্যমন্ত্রীর সচিবালয়ের কাজ ইতিমধ্যেই শেষ হয়েছে বলে জানা গিয়েছে। পাশাপাশি মুখ্যসচিব, রাজ্য পুলিশের ডিজি-সহ গুরুত্বপূর্ণ কয়েক জন আমলার জন্যও ঘর তৈরির কাজ দ্রুত এগিয়ে নিয়ে যাওয়া হচ্ছে। ফলে পুজোর আগেই মহাকরণে প্রশাসনিক কাজকর্মের একটি বড় অংশ শুরু হতে পারে বলে জল্পনা তৈরি হয়েছে।মহাকরণে সংস্কারের কাজ কতটা এগিয়েছে, তা নিয়ে আধিকারিকদের সঙ্গে বৈঠক করেছেন পূর্তমন্ত্রী অজয় পোদ্দার। সূত্রের খবর, বৈঠকে নির্ধারিত সময়ের মধ্যে কাজ শেষ করার জন্য আধিকারিকদের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। বিশেষ করে ১০ অক্টোবরের মধ্যে মুখ্যমন্ত্রীর ঘর এবং আরও পাঁচ মন্ত্রীর ঘর প্রস্তুত করার বিষয়ে জোর দেওয়া হয়েছে।প্রাথমিক ভাবে যে তালিকা সামনে এসেছে, তাতে মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীর পাশাপাশি দিলীপ ঘোষ, অগ্নিমিত্রা পাল, শঙ্কর ঘোষ, শারদ্বত মুখোপাধ্যায় এবং অজয় পোদ্দারের জন্য মহাকরণে ঘর তৈরির কাজ চলছে। মহাকরণের তৃতীয় তলায় মুখ্যমন্ত্রী-সহ মন্ত্রীদের বসার ব্যবস্থা করা হচ্ছে বলে সাম্প্রতিক প্রতিবেদনে জানানো হয়েছে।শুধু মন্ত্রীদের ঘর নয়, প্রশাসনের গুরুত্বপূর্ণ আধিকারিকদের জন্যও মহাকরণে জায়গা প্রস্তুত করা হচ্ছে। এর ফলে ভবিষ্যতে রাজ্য সরকারের প্রশাসনিক কাজের একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ ফের ঐতিহ্যবাহী এই ভবন থেকে পরিচালিত হতে পারে বলে মনে করা হচ্ছে।মহাকরণ সংস্কারের সামগ্রিক দায়িত্ব আদানি গোষ্ঠীর হাতে দেওয়া হতে পারে বলেও জল্পনা রয়েছে। তবে এই বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত এবং কী ভাবে সংস্কারের কাজ এগোবে, তা নিয়ে এখনও বিস্তারিত প্রক্রিয়া চলছে বলে জানা গিয়েছে।মহাকরণের সঙ্গে রাজ্যের প্রশাসনিক ইতিহাসের সম্পর্ক দীর্ঘ দিনের। ২০১৩ সালে তৎকালীন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সময়ে রাজ্য সরকারের প্রশাসনিক দফতর মহাকরণ থেকে নবান্নে সরিয়ে নিয়ে যাওয়া হয়। ব্রিটিশ আমলে তৈরি এই ঐতিহাসিক ভবনের সংস্কারের প্রয়োজনীয়তার কথা জানিয়েই সেই সময় প্রশাসনের মূল কেন্দ্র সরানো হয়েছিল।এর পর দীর্ঘ সময় ধরে মহাকরণ সংস্কারের কাজ চললেও তা সম্পূর্ণ হয়নি। সাম্প্রতিক রিপোর্টে দাবি করা হয়েছে, ১৩ বছর পরেও সংস্কারের একটি বড় অংশ অসম্পূর্ণ রয়েছে।২০২৬ সালের বিধানসভা নির্বাচনের পর বিজেপি সরকার ক্ষমতায় আসার পর মহাকরণকে ফের প্রশাসনিক কেন্দ্র হিসেবে ব্যবহারের পরিকল্পনা সামনে আসে। মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী শপথ নেওয়ার পর থেকেই মহাকরণে তাঁর জন্য ঘর তৈরির প্রস্তুতি শুরু হয়েছিল।এখন সেই প্রস্তুতিতেই আরও গতি এসেছে। ১০ অক্টোবরের মধ্যে গুরুত্বপূর্ণ ঘরগুলির কাজ শেষ করার লক্ষ্য নেওয়ায় প্রশ্ন উঠছে, পুজোর আগেই কি নবান্নের বদলে মহাকরণ থেকে প্রশাসনিক কাজ শুরু করবেন মুখ্যমন্ত্রী? আপাতত সেই দিকেই নজর রয়েছে।মহাকরণে মুখ্যমন্ত্রীর সচিবালয়ের কাজ শেষ হয়ে যাওয়ার পর মন্ত্রী ও আমলাদের ঘর তৈরির কাজও দ্রুত এগোচ্ছে। ফলে নির্ধারিত সময়ের মধ্যে কাজ শেষ হলে বহু বছর পর ফের মহাকরণে রাজ্য প্রশাসনের ব্যস্ততা দেখা যেতে পারে।

সেপ্টেম্বর ১৭, ২০২৬

Ads

You May Like

Gallery

265-year-old "Mukhopadhyay House" in Bhavanandpur, Kalnar, played vermilion on Dasami during Durga Puja
BJP candidate Locket Chatterjee campaigned on the banks of the Ganges from Chandannagar Ranighat to Triveni Ghat wishing New Year.
A living depiction of history with a touch of color, everyone is enthralled by the initiative of the Eastern Railway
Sucharita Biswas actress and model on Durga Puja
Lord Kalabau came up in palanquin; Navapatrika walked towards the mandap - the puja started
On Sunday, the 'Hilsa festival' is celebrated in the city with great joy.
Check out who has joined Mamata's new cabinet
Take a look at the list of recipients at the Bangabibhushan award ceremony
If you are grassroots, you will get ration for free. Lakshmi Bhandar, Kanyashree, Swastha Sathi, Krishakbandhu, Oikyashree, Sabujsathi — you will get all.

Categories

  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও

Company

  • About Us
  • Advertise
  • Privacy
  • Terms of Use
  • Contact Us
Copyright © 2026 Janatar Katha News Portal